হার্ট ভালোরাখার খাদ্যঅভ্যাস ও উপায়! Heart healthy diet and ways.

 হার্টকে সুস্থ রাখতে যা করনীয়! যেভাবে নিজের হাটকে সুস্থ রাখবেন!

https://www.sbdfoodtips.xyz/2022/10/heart-healthy-diet-and-ways.html


হার্ট মানব শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আজকাল প্রায় দেখা যায় মানুষ হার্টের সমস্যায় মৃত্যু পর্যন্ত হয়ে যাচ্ছে। যার কোন সঠিক প্রতিকারও হচ্ছে না। তাই আমাদের অবশ্যই হার্ট সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে এবং জানতে হবে কিভাবে হার্টকে সুস্থ রাখা যায়।

হার্টের সমস্যার কারণ!

হার্টের অসুখের প্রধান কারণ হলো অনিয়ম ভাবে জীবন যাপন। বেশি দুশ্চিন্তা, অবসাদ, এসব কারণেই প্রধানত হার্ট সমস্যা হয়ে থাকে। মধ্যা কথা হলো যখনই শরীরে রক্তচাপ অনিয়ন্ত্রিতভাবে হতে থাকে তখনই হার্টের সমস্যা দেখা দেয়। নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন ও পান করে অথবা দাম্পত্য জীবনে যারা সুখী নয় তাদের অবসাদ গ্রাস করে কখনো কখনো মাদকের প্রতি আসক্ত হওয়া এসব কারণ ও হার্টের সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে।

যেভাবে হার্টকে সুস্থ রাখবেন!

প্রথমত খাবার সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। বিশেষ করে শর্করা এবং চর্বি জাতীয় খাবার কম খাওয়া উচিত। আমিষ নিয়মিতভাবে পরিমাণমতো খেতে পারেন। তবে চর্বি জাতীয় খাবার মোটেও খাওয়া উচিত নয় ।

বেশি পরিমাণে কায়িক শ্রম করতে হবে। সপ্তাহে অন্তত ৫ থেকে ৬ দিন আধা ঘন্টা করে হাঁটতে হবে। অথবা শারীরিক পরিশ্রম করতে হবে। তবে লিফটে চড়া ঠিক হবে না। এবং একটানা বেশি সময়ও বসে থাকাটা উচিত না।

ধূমপান বন্ধ করতে হবে। কোন প্রকার নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন করা যাবে না। ওজন, রক্তচাপ ও সুগার সবকিছুই নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। বিশেষ করে নিয়মিত খাদ্য অভ্যাস কাইক পরিশ্রম করার মাধ্যমে শরীরের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় সে বিষয়ে সতর্ক হতে হবে।

আরো পড়ুন হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকে জিবন বাঁচানোর কিছু টিপস  https://www.sbdfoodtips.xyz/2022/10/heart-attack-to-save-life-some-tips.html

হৃদ রোগীদের জন্য আদর্শ খাবার হল ফল এবং সবজি । এগুলো বেশি পরিমাণে খাওয়া উচিত। তবে তৈলাক্ত খাবার হৃদরোগীদের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। নিয়মিত রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে সুগার এবং কোলেস্টেরল এর মাত্রা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে এবং সেই অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাস করতে হবে।

অতিরিক্ত টেনশন অথবা দুশ্চিন্তা করা যাবে না। এটি হার্টের উপর মারাত্মক কুফল ফেলে। নিজের হাটকে ভালো রাখার জন্য কোথাও ঘুরতে যাওয়া বা খোলা  আকাশে নিচে দাঁড়িয়ে নিজেকে রিলাক্স করাতে হবে। এতে করে আপনার শরীর এবং মন দুটোই ভালো থাকবে। সেই সাথে এটি হার্টের ও খুবই উপকার দিবে।

https://www.sbdfoodtips.xyz/2022/10/heart-healthy-diet-and-ways.html

 

হার্ট কে ভালো রাখে যে খাবারগুলো

বেশ কিছু খাবার আছে যেগুলো হার্টের সমস্যায় আদর্শ খাবার হিসেবে পরিচিত। অর্থাৎ যে খাবারগুলো নিয়মিত খাদ্য তালিকায় রাখলে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। তবে এর জন্য অবশ্য দেহের ওজনও নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত জরুরি। হার্ট ভালো রাখে এমন কিছু খাবার হল!

কমলা

কমলা ফলে রয়েছে  এক ধরনের আঁস যা আমাদের শরীরের কোলেস্টেরল কমাতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।তাছাড়াও এর ভিতর আরো রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম যা শরীরের রক্ত নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা এটি প্রমাণ করেছে যে, একটি মাঝারি আকৃতির কমলায় প্রায় ৬২ ক্যালোরি থাকে এবং প্রায় ৩ গ্রাম আঁস থাকে। তাই হার্টের সুরক্ষায় আমাদের প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় কমলা রাখা উচিত।

কম চর্বিযুক্ত টক দই

টক দইয়ে থাকে ক্যালসিয়াম। পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। আর আমরা তো সবাই জানি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ থাকলে হার্ট সুস্থ থাকে। এক্ষেত্রে অবশ্য লো ফ্যাট যুক্ত বা কম চর্বিযুক্ত টক দই বেছে খেতে হবে।

জলপাই তেল

জলপাই তেলে রয়েছে স্বাস্থ্যকর এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। যা হার্টের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি হার্টের রক্তনালী গুলোকে সুরক্ষা প্রদান করে থাকে। মাখন এর মত অন্যান্য স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিবর্তে জলপাই তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে করে কোলেস্টেরলের মাত্রা কম থাকবে। সবজি রান্না কিংবা সালাদে অল্প পরিমাণে জলপাই তেল ব্যবহার করতে পারেন।

কাঠবাদাম

কাঠবাদামে রয়েছে আঁশ প্লান্ট ও হার্টের জন্য উপকারী ফ্যাট। এটি কোলেস্টেরল কমাতেও সাহায্য করে থাকে। যে কারণে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় কাঠবাদাম রাখা যেতে পারে।

শাকসবজি

শাকসবজিতে  খুব কম পরিমাণে ক্যালরি থাকে কিন্তু অন্যান্য ভিটামিন খনিজ পদার্থ এবং আঁশ থাকে ভরপুর। যে কারণে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে শাকসবজি গ্রহণ করলে দেহের সঠিক ওজন ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছাড়াও টমেটো পালং শাক মিষ্টি আলুতেও প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি থাকে যা হার্টকে ভালো রাখে।


এই ছিল আমাদের আজকের হার্ট ভালো রাখার উপায় সম্পর্কে প্রতিবেদন। লেখাটির সম্পর্কে কোন মন্তব্য থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। এতক্ষণ ধরে কষ্ট করে পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।


Post a Comment (0)
Previous Post Next Post

Advertisement

Advertisement