আপনি কি পায়ে ব্যথা জ্বালাপোড়া সমস্যায় ভুগছেন? এখনই সাবধান হোন! হতে পারে বড় কোন রোগের লক্ষণ।

 জেনে নিন পায়ে ব্যথা জ্বালাপোড়া বড় কোন রোগের লক্ষণ নয়তো!

https://www.sbdfoodtips.xyz/2022/10/blog-post.html


আমরা তো সবাই জানি কোলেস্টেরল শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকারক। শরীরে উচ্চমাত্রায় কোলেস্টেরলের কারণে হতে পারে হৃদরোগের মতো মরণঘাতি রোগ। আসলে কোলেস্টেরল একটি মোম যুক্ত পদার্থ। এটি শরীরের জন্য দরকারও আছে । তবে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল মোটেও ভালো কিছু নয়। কোলেস্টেরল শরীরের সুস্থ কোষ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় একটি উপাদান। তবে যখন রক্তনালিতে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল বা চর্বি জমা হয়ে থাকে তখন এটি ধমনী গুলোকে বন্ধ করে দেয়। যে কারণে ধমনী গুলো থেকে রক্ত প্রবাহ বাধা সৃষ্টি হয়ে থাকে। এভাবেই চলতে চলতে যখন কোলেস্টেরল জমা হতে হতে অনেক বড় আকার ধারণ করে। তখনই ঘটে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের মতো ঘটনা।

চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে বংশে কোন উচ্চ কোলেস্টেরলের রোগী থাকলে অন্যদের মধ্যেও এই ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়াও এর ঝুঁকি আরো বাড়িয়ে তুলতে পারে। অস্বাস্থ্যকর খাবার, অনিয়মিত লাইফস্টাইল, অতিরিক্ত ওজনসহ, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এর কারণ।

সবচেয়ে দুশ্চিন্তার কারণ এটা হল যে শরীরে অতিরিক্ত মাত্রায় কোলেস্টেরল বৃদ্ধি পেলেও এর তেমন কোন লক্ষণ দেখতে পাওয়া যায় না। তবে চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে উচ্চমাত্রায় কোলেস্টেরল টের পাওয়া যায় পায়ের কিছু লক্ষণ দেখে।

পায়ের ব্যথা, জ্বালাপোড়া করা শরীরে উচ্চমাত্রায় কোলেস্টেরলের উপস্থিতি সংকেত দেয়। এছাড়াও নিতম্ব ও হাঁটুর ব্যথা অনেক সময় উচ্চ কোলেস্টেরলের কারণে হয়ে থাকে।

উচ্চমাত্রায় কোলেস্টেরল এর কারনে পায়ে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া হওয়ার কারণ!

চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে উচ্চ কোলেস্টেরলের কারণে রক্তনালিতে প্লেক জমা হতে থাকে। যা রক্তনালীকে সংকুচিত করে ও রক্ত প্রবাহকে বাধা সৃষ্টি করে। ফলে পায়ের পেশিতে ব্যথা অনুভূত হয়।

এ কারণে একটু হাঁটাচলা কিংবা শারীরিক পরিশ্রমের কারণে রক্তের প্রবাহ কমে যায়। এবং যখন ব্যক্তি বিশ্রামে থাকে তখন সেটা সেরে যায়। অর্থাৎ ব্যথা অনুভূত হয় না। এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই বুঝতে হবে শরীরের ওই বেশিগুলো কাজ করার জন্য পর্যাপ্ত রক্ত পাচ্ছে না। যে কারণে এই সমস্যাটা দেখা দিচ্ছে।

জেনে নিন কোলেস্টেরলের কারণে কেমন ব্যথা অনুভূত হয়!

https://www.sbdfoodtips.xyz/2022/10/blog-post.html

 

হাটু, পা, উরু, নিতম্ব এসব জায়গায় সাধারণ ব্যথা হতে পারে। সামান্য হাঁটাচলা করা বা শারীরিক কার্যকলাপেও অনেক সময় পায়ে ব্যথা হতে পারে। এছাড়াও ব্যথা, ক্রাম্পিং, পায়ে অসাড়তা, ক্লান্তি, অবসাদ ঘটতে পারে। তবে এসব ঘটলে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে। এ ধরনের ব্যথা সাধারণত বিশ্রামের সময় সেরে যায়। আবার পরিশ্রম করলে ব্যথা অনুভূত হয়। চিকিৎসা পরিভাষায় এটিকে বলা হয় ইন্টারমিটেন্ট ক্লোডিকেশন।

শরীরে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে পায়ে আর কি কি লক্ষণ দেখা দিতে পারে?

শরীরে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল বাড়ার কারণে পায়ে আরো বেশ কিছু লক্ষণ দেখা দিতে পারে। তবে সকলের ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়। শরীরে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল বেড়ে যাওয়ার ফলে পায়ের ত্বকের রং পরিবর্তন হতে পারে অথবা আঙ্গুলে ক্ষত সৃষ্টি হতেপারে। এবং একবার ক্ষত হলে সেখানে সহজে সারতে চায় না। ঘনঘন ত্বকের সংক্রমণ দেখা দিতে পারে পা জ্বালাপোড়া বা ঝিমঝিম করে মোটামুটি এরকম বেশ কয়েকটি লক্ষণ দেখা দিতে পারে। যদি শরীরে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল এর পরিমাণ বেড়ে যায়,এবং এসব লক্ষণ দেখা দেয় তবে অবশ্যই আপনাকে শরীরে কোলেস্টেরল এর পরীক্ষা করাতে হবে। এবং ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

আরো পড়ুন  প্রত্যেক বাবা-মার উচিত এই কথাগুলো তার সন্তানকে বলা  https://www.sbdfoodtips.xyz/2022/10/every-parent-should-say-these-words-to.html

শরিরে কোলেস্টেরল এর আদর্শ মাত্রা

শরীরে কোলেস্টেরলের পরিমাণ যদি ২০০ এমজিডিএল এর নিচে হয় তাহলে এতে চিন্তার কোন কারণ নাই। এটি স্বাভাবিক বলে বিবেচিত করা হয়। তবে ২০০ থেকে ২৩৯ এম জি ডি এল এর মধ্যে  থাকলেও এটি খুব বেশি ক্ষতি করে না। কিন্তু ২৪০ এমজিডিএল শরীরে উচ্চ কোলেস্টেরল এর উপস্থিতির ইঙ্গিত দেয়। ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এল ডি এল এর সর্বোত্তম মাত্রা ১০০ এম জি ডি এল এর কম ধরা হয়।

তো বন্ধুরা আশা করি আপনারা আজকের পোস্টটি সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পেরেছেন। পায়ে জ্বালাপোড়া, ব্যথা এটি মোটেও স্বাভাবিক কোন সমস্যা না। এ থেকে হতে পারে শরীরে গুরুতর কোন রোগ। তাই এ সকল সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই দেরি না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post

Advertisement

Advertisement