বুক ধরফরানি করা, ঝিমুনি, ওজন বৃদ্ধি মোটেও ভালো কোন লক্ষণ নয়! আজই সাবধান হন!
বুক ধরফড়ানি, ঝিমুনি, ওজন বৃদ্ধি হওয়া এমন সমস্যা অনেকেরই হয়ে থাকে। সাধারণ দৃষ্টিতে এটি সামান্য মনে হলেও এটি আসলে মোটেও সাধারণ বিষয় নয়। যাদের এই সমস্যাগুলো আছে আজকের পোস্টটি শুধু তাদের জন্য।
হার্টের রোগ নিয়ে আপনি কতটুকু সচেতন? আমাদের চারপাশেই অহরহ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর খবর শোনা যাচ্ছে একের পর এক। কিন্তু আমরা সকলে কি প্রকৃতপক্ষে জানি হৃদরোগ হওয়ার লক্ষণ কি? অথবা কি করে বুঝবো আমার শরীরে হার্টের সমস্যা থাকতে পারে? যেনেনিন বিস্তারিত আলোচনা।
মূলত মানুষের কিছু সাধারন রোগ থাকে যেগুলো খুবই সাধারণ সমস্যা। যেমন মাথা ধরা, হাতে পায়ে ব্যথা, একঘেয়েমি, ঝিম ধরে থাকা, জ্বর, সর্দি, কাশি। এসব সাধারণ সমস্যা মানুষের হয়ে থাকে। সামান্য ওষুধে এগুলো হয়তো সেরে যায়। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় কয়েকটি সাধারণ সমস্যা একাধারে অনেক সময় ধরে চলতে থাকে। তখন আসলে বিষয়টি সিরিয়াস ভাবে নেওয়া হয়। এমনই কয়েকটা সমস্যা হলো বুক ধরফড়ানি, ঝিমুনি, হঠাৎ ওজন বৃদ্ধি। এরকম সমস্যা কারোর থাকলে এটি মোটেও কোন ভালো লক্ষণ নয়। এই সমস্যাগুলো একাধারে মানুষের অনেক দিন ধরে চলতে থাকলে পরবর্তীতে হৃদরোগের আশঙ্কা থেকে যায়। তাই আমাদের অবশ্যই এই বিষয়টি সম্পর্কে জানতে হবে। এবং হার্টের আলাদা করে যত্ন নিতে হবে।
বুক ধরফড়ানি, ঝিমুনি, ওজন বৃদ্ধি হতে থাকলে যেনেনিন কোন রোগের লক্ষণ!
বিশেষজ্ঞদের মতে বর্তমান লাইফস্টাইলের জেরে হৃদরোগের সম্ভাবনা বাড়ছে দিন দিন। কেননা উন্নত প্রযুক্তির বিলাসিতা মানুষের শরীরের জন্য খুবই ক্ষতি করে থাকে। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে শুধুমাত্র মানুষের লাইফস্টাইল চেঞ্জ করে শরীরের অনেক রোগ নিরাময় করা সম্ভব। বিশেষ করে হার্টের অনেক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় শুধুমাত্র জীবনের কিছু পরিবর্তনের মাধ্যমে।
হার্টের একটি রোগ হলো ভালভুলার। হৃদ যন্ত্রের চারটি বাল্বের মধ্যে যদি কোনটি ক্ষতিগ্রস্ত বা নষ্ট হয়ে যায় তখনই মানুষ এই ভালভুলার হার্টের রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। রোগটি অত্যন্ত ভয়াবহ একটি রোগ। যার কারণে মৃত্যু পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে। ভাল্বের মাধ্যমেই হৃদযন্ত্রের রক্তের প্রবাহ নিয়ন্ত্রিত করা হয়। যখনই একটি বা একাধিক ভাল্ব ঠিকমতো খোলা বা বন্ধ হওয়াতে সমস্যা প্রাপ্ত হয় তখনই জানবেন আপনি হার্টের রোগে আকান্ত হয়েছেন। যার উপসর্গ হিসেবে বুক ধরফরানি ,ঝিমুনি, ওজন বৃদ্ধি হওয়া এসব লক্ষণ দেখা দিয়ে থাকে।
এছাড়াও অনেক সময় হৃদ-স্পন্দন থেকে অন্য কোন অস্বাভাবিক শব্দ শুনতে পাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে রিউমেটিক জ্বর যা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হয়ে থাকে, মূলত তা থেকেই এই রোগের সূত্রপাত হয়ে থাকে। এটি গলায় সংক্রমণের পর যদি ঠিকমতো চিকিৎসা না দেওয়া হয় তবে তা হার্ট পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে। বুকে ব্যথা এবং উচ্চ রক্তচাপ এই রোগের কারণ হয়ে থাকে। কার্ডিওলজিস্টরা ধারণা করেন যে কোন শিশু জন্ম থেকেও ভালভুলার হার্টের রোগে আক্রান্ত হতে পারে। অথবা সময়ের সঙ্গে তৈরি হতে পারে এই রোগ ।
আরো পড়ুন ত্বকের যত্নে প্রয়োজনীয় কিছু টিপস https://www.sbdfoodtips.xyz/2022/10/some-essential-skin-care-tips.html
সুতরাং বুক ধরফড়ানি বা ওজন বৃদ্ধি পাওয়ার মোটেও ভালো কোন লক্ষণ নয়। কোনো মানুষের এই রূপ লক্ষণ দেখা দিলে অবশ্যই তাকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এবং বিশেষ করে হার্টের যত্ন নিতে হবে। নয়তো অনেক বড় কোন রোগের আশঙ্কা থেকে যাবে।
বন্ধুরা আমাদের আজকের পোস্টটি এই পর্যন্তই। আশা করি বিষয়টি সম্পর্কে আপনারা একটু হলেও বুঝতে পেরেছেন ।লেখাটি সম্পর্কে কোন মন্তব্য থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। এতক্ষণ কষ্ট করে আমাদের সাথে থেকে লেখাটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

