রাতে ভালো ঘুম হচ্ছে না? এটি হতে পারে ডায়াবেটিক এর লক্ষণ! Not sleeping well at night? This may be a sign of diabetes.

 রক্তে ব্লাড সুগারের মাত্রা বাড়লে হতে পারে আপনার ঘুম নষ্ট, মেনে চলুন এই কয়েকটি নিয়ম!

https://www.sbdfoodtips.xyz/2022/10/not-sleeping-well-at-night-this-may-be.html


একটা মানুষের পর্যাপ্ত ঘুম না হলে তার অসুস্থ হতে বেশি সময় লাগে না। আর পর্যাপ্ত ঘুম না হলেও বাড়তে পারে রক্তের শর্করার মাত্রা। তাই ব্লাড সুগারকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে অবশ্যই পর্যাপ্ত পরিমানে ঘুম দরকার।

মানুষের রক্তে শর্করার মাত্রা কথাটির অর্থ হল শরীরে গ্লুকোজের উপস্থিতির পরিমাণ। যা মানুষের প্রতিদিনের খাবার থেকে আসে। আমরা তো সবাই জানি শরীরে কোষের প্রধান শক্তির উৎস হল গ্লুকোচ। তাই প্রতিটা মানুষেরই রক্তে শর্করা মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল যে ইউএস সিডিসি অনুসারে মানুষের রক্তের 99 মিলিগ্রাম ডিএল বা তার কম শর্করা থাকলে তা স্বাভাবিক ভাবে ধরা হয়। তবে শর্করা পরিমাণ ১০০ থেকে ১২৫ মিলিগ্রাম ডিএল হলে রয়েছে অনেক প্রকারের ঝুঁটির সম্ভাবনা। তাই এই অবস্থায় প্রতিটা মানুষেরই সাবধান হওয়া একান্ত জরুরি। রক্তে শর্করার এই মাত্রা হতে পারে প্রি ডায়াবেটিস এর লক্ষণ। এবং যদি কারোর রক্তে ১২৬ মিলিগ্রাম ডিএল বা তার বেশি শর্করার পরিমাণ থাকে তাহলে বুঝতে হবে তার শরীরের ডায়াবেটিস আছে। এবং এই ডাইবেটিকসের কারণে অর্থাৎ শরীরের রক্তে শর্করার পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে হতে পারে হৃদরোগ, দৃষ্টি শক্তি হ্রাস, এমনকি কিডনির সমস্যা ।

জেনে নিন অপর্যাপ্ত ঘুমে রক্তে ব্লাড সুগারের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে করনীয়!

অনেকেই জানেনা পর্যাপ্ত ঘুম না হলে হতে পারে রক্তের শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি।  তাই ব্লাড সুগারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে অবশ্যই পর্যাপ্ত ঘুমের দরকার। পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম এবং রক্তে শরকরার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য প্রাকৃতিক কিছু উপায় রয়েছে। যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে শর্করার মাত্রা যদি লক্ষণ রেখার আশেপাশে থাকে তাহলে অবশ্যই যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

https://www.sbdfoodtips.xyz/2022/10/not-sleeping-well-at-night-this-may-be.html

 

রক্তে যদি শরকরার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখতে হয় তবে ডায়েটে অবশ্যই স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিকর খাবার রাখতে হবে।  সেই সাথে কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার খাওয়া কমিয়ে দিতে হবে। তবেই ইন্সুলিনের মাত্রা বেঁধে রাখা যাবে। অনেকের আছে রক্তে শর্করার পরিমাণ অনেক বেশি তাদের ক্ষেত্রে ফাস্টফুড জাতীয় খাবার এবং প্যাকেটজ্যাক জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। প্রয়োজনে ডায়েডে রাখতে হবে ওমেগা তিন এসিড সমৃদ্ধ খাবার। যেমন সয়াবিন, মাছ, ডিম, তেল, মটরশুঁটি, ফ্লাক্সিড জাতীয় খাবার। পাস্তা বা রুটি মত ময়দা জাতিয় খাবার বাদ দিয়ে অন্য শস্যজাতীয় খাবার খেতে পারেন। যেমন বাদামী চাল, ওটস, বার্লি ইত্যাদি।

আরো পড়ুন  বুক ধরফড়ানি, ঝিমুনি, ওজন বৃদ্ধি হতে থাকলে অবশ্যই পড়ুন https://www.sbdfoodtips.xyz/2022/10/must-read-if-there-is-chest-tightness.html

মানসিক চাপ অথবা টেনশন থেকে দূরে থাকতে হবে। ব্যস্তময় প্রতিযোগিতার সঙ্গে জীবন  ওতপ্রোতভাবে ভাবে জড়িয়ে গেছে। এমতা অবস্থায় মানসিক চাপ অথবা টেনশন থেকে ১০০% মুক্তি কখনোই কারোর মিলবে না। কিন্তু এ অবস্থায় হাল ছেড়ে দিয়ে বসে থাকলেও চলবে না। বরং মানসিক চাপ, অবসাদ, উদ্যোগ, টেনশন এসব মনের উপর কোন প্রভাব ফেলতে না পারে সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। এবং এটা বলা বাহুল্যে মানসিক চাপ কমাতে ঘুম সবচেয়ে ভালো ওষুধ হিসেবে কাজ করে। উল্টোভাবেও এটি বলা যায়। ঘুম ভালো হলে মানুষের মানসিক চাপও কমে যায়। এবং নিজেকে এই পর্যায়ে নিতে অন্তত প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ মিনিট হাঁটাহাঁটি বা যোগব্যায়াম অথবা ধ্যান করতে পারেন। নিজের শ্বাস-প্রশ্বাসের উপর জোর দিতে হবে। এছাড়াও বই পড়া, ছবি আঁকার মতো আগ্রহ আছে এমন মনের রুচিসম্মত কাজের জন্য সময় বের করে নিতে হবে।

বন্ধুরা আমাদের আজকের পৌষ্টটি এই পর্যন্ই। আশা করি বিষয়টি সম্পর্কে সকলে একটু হলেও যানতে পেরেছেন। লেখাটি ভালো লাগলে অবশ্বই কমেন্ট করে যানাবেন। এতক্ষন কষ্ট করে লেখাটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। কথা হবে পরবর্তি পৌষ্টে।



Post a Comment (0)
Previous Post Next Post

Advertisement

Advertisement