মেনোপজের লক্ষণ ও প্রতিকার,মেয়েদের শারীরিক সমস্যা ও সমাধান,নিম্ফোম্যানিয়া-এর লক্ষণগুলি কী?

আজকে আপনাদের সামনে এমন একটি দুরারোগ্য রোগের কথা আলোচনা করব যে রোগের প্রভাব শুনে আপনারা সবাই অবাক হবেন। কেননা এটি এমন একটি রোগ যা একজন নারীর যৌন চাহিদা বাড়িয়ে তোলে দ্বিগুণ পরিমাণে।
আমাদের সমাজে অনেক নারী আছে যাদের টাকা পয়সা, স্মার্ট হাজবেন্ড সবকিছু থাকা সত্ত্বেও তারা অন্যান্য পুরুষের সাথে অবৈধ মেলামেশা করে থাকে। কিন্তু কেন করে থাকে? এ কারন সে নিজে ও জানে না। তবে আজকে আমি এই প্রশ্নের সমাধান দিব।
যে কারণে নারীদের সবকিছু থাকা সত্ত্বেও যৌনদাসীর কাজ করে থাকে
নারীরা সাধারণত দুটি উদ্যোগের কারনে যৌন দাসীর কাজ করে থাকে। এক স্বভাবগত এবং দুই বাধ্যগত। তবে স্বভাবগত যেটা এটি সবার কম বেশি থাকে। এটি সাধারণ একটি ব্যাপার। কিন্তু বাধ্যগত বিষয়টা অন্যরকম। নিম্ফোম্যানিয়া নামে এক ধরনের মানসিক রোগ আছে যা বিশেষ করে নারীদের হয়ে থাকে। এই রোগে আক্রান্ত নারীদের শারীরিক চাহিদা সাধারণ নারীদের তুলনায় অনেক বেশি থাকে। এই রোগে আক্রান্ত নারীরা বেশিরভাগ সময় উদ্বিগ্নতায়, অবসাদগ্রস্ততায় থাকেন। এবং শরীরে সর্দার যৌনতার প্রবল আকাঙ্ক্ষা নিয়ে ভাবতে থাকেন। যে কারণে অস্বাভাবিক মাত্রায় শারীরিক সাহায্যের জন্য একাধিক পর পুরুষের সাথে বিভিন্ন অবৈধ সম্পর্কের জড়িয়ে পড়েন। এমনকি এই রোগে আক্রান্ত নারীরা স্বামীর অনুপস্থিতিতে একাধিক পুরুষের সাথে মেলামেশা ও শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন।
পুরনো ইতিহাস ঘাটলেও দেখা যাবে এই রোগটি অনেক প্রাচীন রোগ। উদাহরণস্বরূপ সম্রাট নেপোলিয়নের স্ত্রীর জোসেফাইন এই রোগের আক্রান্ত ছিলেন। এছাড়া আরব্য রজনীতে উল্লেখ আছে। এক দৈত্যের চরিত্রে পাওয়া যায় যে, সে তার স্ত্রীকে বাক্সবন্দী করে মাথায় নিয়ে ঘুরতো। কিন্তু স্বামী যখন ঘুমিয়ে পড়তো স্ত্রী তখন বাস্কা থেকে বেরিয়ে ঠিকই পর পুরুষের সাথে মেলামেশা করতো। মার্কিন মনোবিজ্ঞানী দের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী আমেরিকায় প্রায় তিন কোটি মানুষ এই রোগে শিকার হয়ে আছে।
একটু লক্ষ্য করলেই দেখা যায় বাংলার বেশ্যালয় এর রাজধানী খাত বিশেষ করে কলকাতায় ১৮৫৩ সালে সংখ্যা ছিল ১২৪১৯ টি । এবং এর মাত্র ১৪ বছরের ব্যবধানে ১৮৬৭ সালে যার সংখ্যা দাঁড়ায় ৩০০০০ । তথ্যসূত্রে জানা যায় এদের সবাই কিন্তু অভাব বা দারিদ্রতার কারণে এই পেশা বেছে নেয় নি। এদের মাঝে সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটা কাজ করেছিল তা হল আত্মপ্রতিষ্ঠা বা আত্ম পরিচিতি খুঁজে পাওয়ার অদম্য আকাঙ্ক্ষা। আধুনিক ভাষায় আমরা যেটাকে ক্যারিয়ার ও বলে থাকি। সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ভাষায় বলা যায়, একঘেয়ে জীবন যাপন প্রসূত মানসিক অবসাদ এবং এটি থেকে বেরিয়ে রোমাঞ্চকর যৌন অভিজ্ঞতা আহরণের জন্য সম্ভ্রান্ত ঘরের মেয়েরাই পতিতাবৃত্তিতে লিপ্ত হয়েছিল। তথ্যসূত্র মোতাবেক ১৯ শতক বাঙালি মেয়ের যৌনতা (অর্ণব সাহা)
তবে খুশির খবর এটি বাংলাদেশের এই রোগের আক্রান্তের হার সম্পর্কে খুব বেশি একটা জানা যায়নি। যদিও কোন নারীর ভিতর এই রোগ বাসা বেধে থাকে, তবুও বাঙ্গালী পারিবারিক সামাজিক এবং ধর্মীয় অনুশাসনের কারণে তা প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। তবে যেসব পরিবারের অনুশাসন ধর্মীয় মূল্যবোধ কম তারাই সাধারণত এসব রোগের আক্রান্ত হয়ে থাকে। কিন্তু একথা বলা বাহুল্য এখনকার বেশিরভাগ নারী বাধ্য হয়ে যৌনদাসীর কাজ করে থাকে। তবে দাস দাসীর কথাটা কবে কখন কিভাবে আমাদের সমাজের শুরু হয়েছিল এ ব্যাপারে সঠিক ইতিহাস এখনো পর্যন্ত পাওয়া সম্ভব হয়ে ওঠেনি।
আরো পড়ুন হার্ট ভালোরাখার খাদ্যঅভ্যাস ও উপায় https://www.sbdfoodtips.xyz/2022/10/heart-healthy-diet-and-ways.html
দাসী কাকে বলে
ব্রাজিল ইতিহাস অধ্যায়ন করলে আমরা রোমান্স, ডেভিলিন, মিশরীয়, ব্রিজ, প্রায় সকল সভ্যতাতেই দাশের প্রথার অস্তিত্ব পাওয়া যায়। তৎকালীন সময়ে এই গোত্রের সাথে আর এক গোত্রের এক ধর্মের সাথে আরেক ধর্মের যুদ্ধবিগ্রহ কলহ লেগেই থাকতো। আর সেই ক্ষেত্রে পরাজিত দলের যুদ্ধবন্দীদের হত্যা, বন্দি, বিনিময়, মুক্তিপণ আদায়, কারাদণ্ড অথবা দাস-দাসী পরিণত করা হতো। তবে গ্রিক সভ্যতায় আমরা একটা যুদ্ধবন্দী নারীদের আশ্রমের ইতিহাসের প্রমাণ পেয়ে থাকি। যুদ্ধবন্দী নারীদেরকে তারা আশ্রমে রাখতো এবং নগরে সফল পুরুষের জন্য তারা ছিল উন্মুক্ত। এবং সে একই রকম উদাহরণ পাওয়া যায় রোমানদের ক্ষেত্রেও। বিশেষ করে রোমানদের হাম্মাম গুলো হয়ে উঠেছিল ব্যভিচারের কেন্দ্রবিন্দু। কেননা তাদের আশ্রমে ও যুদ্ধ বন্দী নারীরা বিনা পোশাকে ওদের সাথে স্নান করতে বাধ্য ছিল।
চাণক্য পন্ডিতের মতে, যৌন দাসীদের সমাজ থেকে বহিষ্কার অথবা বাদ দিলেও রাজতন্ত্রে ক্ষতি। কেননা রাজ্যের অনেক ক্ষমতাধর অথবা ক্ষমতাবান ব্যক্তিরা এদের কাছে আসা যাওয়া করে থাকে। আর এ ব্যাপারে উচ্চ বাক্য করেন নাই। কেননা এতে রাজতন্ত্রের সংঘাত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আমরা প্রাচীন ইতিহাস দেখলেও শেখানেও যৌনকর্মীর অস্তিত্ব লক্ষ্য করতে পারি।
(১) মেনোপজ কি? মেনোপজ এর লক্ষণ
এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি ঘোরের মধ্যে থেকে কি করছে কার সঙ্গে যাচ্ছেন তা বোঝার ক্ষমতায় থাকেন না। উনি যে বিপদে পড়তে পারেন সেই ভাবনাটাও তার মাথায় আসে না। যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় অডিটরি হ্যালোসিনেশন বলে। এতে রোগী মনে করে কেউ তাকে ডাকছে। অবচেতন মনে আবার কিন্তু দৃশ্য তার চোখের সামনে ভেসে ওঠে। যদিও এই রোগের চিকিৎসা অনেক ব্যয়বহুল এবং সব হাসপাতাল এর সঠিক চিকিৎসা মেলে না।
(২) মেনোপজ হলে করণীয়
তবে অবশ্যই উপযুক্ত সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে এ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল অথবা বিদেশে অনেক হাসপাতাল আছে যেখানে এই রোগের বিশেষভাবে চিকিৎসা করানো হয়। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো এটি এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি নিজেও জানতে পারে না যে, সে এই রোগের আক্রান্ত। এবং তার এই রোগের প্রভাবে করা কাজটি সমাজের একটি ঘৃণিত কাজ। সুতরাং সকল নারী স্বভাবগত কারণে অবৈধ মেলামেশা অথবা যৌন কর্মী হয়ে ওঠে না। আর এটি অবশ্যই প্রত্যেক পুরুষেরই জানা প্রয়োজন। আমি আশা করব লেখাটির মাধ্যমে অবশ্যই প্রত্যেকেরই জানা উচিত। এবং দাম্পত্য জীবনে সুখী হওয়ার জন্য এই রোগ থেকে নিজে সচেতন হোন ও অপরকেও সচেতন করে তুলুন ।ধন্যবাদ সবাইকে।
