এই ৬ টি অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমেই আপনি ও হতে পারেন দরিদ্র মুক্ত- Update News

দরিদ্র মুক্ত হওয়ার সহজ উপায়, ধনি হতে চাইলে যে কাজ গুলো করতে হবে, 

https://www.sbdfoodtips.xyz/2022/11/By-changing-these-6-habits-you-can-be-free-from-poverty-Update-News.html


জীবনে সফল হতে সবাই চায়। এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না যে কিনা জীবনে সফলতা চায়না। দরিদ্রতা কারোরই কাম্য নয়। কিন্তু আপনি জানেন কি? সফলতার জন্য জীবনে সঞ্চয় এর খুবই প্রয়োজন। আর আমাদের আজকের পোস্টে আলোচনা করব জীবনে দরিদ্র মুক্ত হওয়ার ৬টি অভ্যাস এর কথা। যে অভ্যাসগুলো পরিবর্তনের মাধ্যমে আপনি হতে পারেন দরিদ্র মুক্ত।


জীবনে সফলতা পেতে যে কাজ করতে হবে।


দরিদ্র ঘরের জন্মগ্রহণ করা কোন অন্যায় নয়। তবে দরিদ্র হয়ে মৃত্যুবরণ করাটা অন্যায়। পৃথিবীতে এমন অনেক উদাহরণ আছে যারা শূন্য হাতে এসে পৃথিবীতে অনেক কিছু করে দেখিয়েছে। আর তার জন্য রয়েছে তাদের অদম্য সাহস আর কঠোর পরিশ্রম। জীবনে সফলতা পাওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের প্রতিদিনের কিছু অভ্যাসের পরিবর্তন এর মাধ্যমেই আমরা এই দারিদ্র্যকে দূর করে সফলতার মুখ দেখতে পারি। আসুন তবে জেনে নিই আমাদের কোন অভ্যাসগুলো পরিবর্তনের মাধ্যমে দরিদ্র মুক্ত হতে পারি। 


এই ৬ টি অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমেই আপনি ও হতে পারেন দরিদ্র মুক্ত

(১) হিসাব রাখা

অনেক সময় দেখা যায় আপনি মাসে মোটামুটি বেশ টাকা ইনকাম করেন তবুও দরিদ্রতা যেন আপনার নিত্যদিনের সাথে লেগেই আছে। মাস শেষে গিয়ে আপনার হাতে কোন টাকায় থাকে না। কোথায় কি খরচ করছেন তারও কোন হিসাব নাই। এমনসব ক্ষেত্র আসলেই বিপদ। আর এই সকল সমস্যা সমাধানের একটা ভালো পথ হল আপনি কোথায় কি ব্যয় করেছেন তার হিসাব করে রাখা। এর জন্য একটি ডায়েরি ব্যবহার করতে পারেন। যেখানে আপনি আপনার প্রতিদিনের খরচগুলো নোট করে রাখতে পারবেন। হিসাব হিসাবের মতই হওয়া উচিত। সেটি হোক দুই টাকার অথবা দশ টাকা। ছোটখাট সবধরনের হিসাব আপনি সেখানে লিপিবদ্ধ করে রাখুন। তাহলে আপনি একসময় বুঝতে পারবেন আপনার বাড়তি খরচ টা কোথায় হচ্ছে। এর পাশাপাশি আরো কয়েকটি অভ্যাস আছে যেগুলো পরিবর্তনের মাধ্যমে আপনি হতে পারেন দরিদ্র মুক্ত।


(২) অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা


https://www.sbdfoodtips.xyz/2022/11/By-changing-these-6-habits-you-can-be-free-from-poverty-Update-News.html


আজকাল কেনাকাটায় অনেকেই বেশ অসচেতন। ক্রেডিট কার্ডের মত সহজে এক্সেস এর কারণে বেশির ভাগ লোকজনই অনলাইনে কেনাকাটা করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। আর অনেক সময় এটির কারণে কোনটি প্রয়োজন কোনটি অপ্রয়োজনে না বুঝেই বিভিন্ন ধরনের পণ্য কিনে থাকে। আর এই অভ্যাসটা আপনার সঞ্চয় এর জন্য বেশ ক্ষতিকর। প্রয়োজনের তুলনায় বেশি কেনাকাটা অথবা অমিতব্যায়ী হয়ে খরচ করা এটি পরিবর্তন করতে হবে। এই অভ্যাসটি পরিবর্তন করার মাধ্যমে আপনি হতে পারেন দরিদ্র মুক্ত । কেননা আপনি যত টা খরচ কমিয়ে করতে পারবেন ততটাই আপনার সঞ্চয় এর টাকা বেঁচে যাবে। সুতরাং আপনার ইনকামের তুলনায় খরচ এর পরিমাণটা কমিয়ে আনুন। তাহলে আপনার দরিদ্র মুক্ত হওয়ার সাফল্য অনেক সন্নিকটে চলে আসবে।


(৩) রিক্সা কিংবা গাড়িতে চড়ার অভ্যাস এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন 


অনেকেই আছে যারা সামান্য একটু পথে যাওয়ার জন্য রিকশা কিংবা গাড়ি ব্যবহার করে থাকে। এই অভ্যাসটা অবশ্যই পরিবর্তন

করতে হবে। কম দূরত্বের পথে গাড়িতে না গিয়ে হেঁটে যান। ওয়ান ওয়ে ট্রিপের জন্য ১০ টাকা হলেও এটি মাসের শেষে অনেক টাকাযপরিণত হয়। যা আপনি পথে খরচ করে ফেলেন। সুতরাং প্রতিদিনের  দৈনন্দিন কাজের ভিতরেই অভ্যাসটা পরিবর্তন করে ফেলুন।

এতে একদিকে যেমন আপনার সঞ্চয় বাজবে অন্যদিকে আপনার শরীরে কায়িক পরিশ্রমও হবে। যে কারণে আপনি সুস্থ থাকবেন।

সুতরাং সফলতা পেতে এবং দরিদ্র মুক্ত হতে অবশ্যই এই অভ্যাসটি পরিবর্তন করুন। প্রয়োজনে আপনি পথ খরচের টাকাটা

কোথাও জমিয়ে রাখতে পারেন এবং একসময় দেখবেন এই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র টাকাগুলো বৃহৎ অংকের টাকায় পরিণত হয়েছে। যা দিয়ে

আপনি কোন একটা বড় কাজ করতে পারবেন।


(৪) কেনাকাটার পরিকল্পনা না করাটাই উচিত 


অনেকেই আছে যারা দৈনন্দিন প্রয়োজন অনুযায়ী সামান্য কেনাকাটা করতে সুপার শপে গিয়ে থাকেন। এটি বাড়তি খরচের একটা

বড় উদাহরণ। ছোটখাটো কেনাকাটা করার জন্য সাধারন মুদির দোকানে যেতে পারেন। এতে আপনার যেমন একদিক থেকে খরচ

সাশ্রয় হবে অন্য দিক থেকে আপনার কম দামে বেশি পরিমাণ সদাইপাতি ক্রয় করতে পারবেন। এবং আপনি যদি এই জিনিসটা

পরিকল্পনা আগে থেকেই করে নিতে পারেন তবে অবশ্যই আপনার অনেক অর্থ সাশ্রয় হবে। যা আপনার দরিদ্র মুক্ত করতে বিশেষ

ভাবে ভূমিকা পালন করবে।


 (৫) বাইরে যাওয়া বা ভ্রমণ করা


 আমাদের আশেপাশে অনেকেই দেখা যায় যারা মাসে দু'একবার বিনা কারণে বাইরে ঘুরতে যায়। সেখানে খাওয়া-দাওয়া করে

অথবা কারোর সাথে দেখা করতে যায়। এটা আপনার লাইফের একটি বড় বাজে খরচের হিসাব। বিনা প্রয়োজনে অথবা প্রতিদিন

বাইরে খাওয়া অথবা বাইরে খাবার অর্ডার করে আনা এটি অনেক বড় ধরনের অর্থের অপচয়। আর যার ফলে আপনার একদিক

থেকে যেমন সঞ্চয় এর অর্থ কমতে থাকবে অপর দিক থেকে আপনার স্বাস্থ্যের ও অনেক ক্ষতি করবে। তবে আপনি যদি অভিনব

কিছু খেতে চান তবে অনলাইনে সেই রেসিপির ভিডিও দেখে নিজে বাসায় তৈরি করেও খেতে পারেন। এতে যেমন আপনার খাবার

স্বাস্থ্যসম্মত হবে ঠিক তেমনি অল্প খরচে বেশি খাবার পাবেন। সুতরাং বাইরে খাওয়া বা বাইরে যাওয়ার অভ্যাস থাকলে এটি ত্যাগ

করুন কারণ। এই অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে আপনি হতে পারেন দারিদ্র্যমুক্ত।


আরো পড়ুন সহজেই তৈরি করুন আনারসের কেক রেসিপি https://www.sbdfoodtips.xyz/2022/10/easy-to-make-pineapple-cake-recipe.html


 (৬) ধূমপান বর্জন করুন


 আমরা সবাই জানি ধূমপান শুধুমাত্র ক্যান্সার সৃষ্টি করেনা এটি ধীরে ধীরে আপনার পকেট খালি করে দেয়। কারণ সিগারেট বা

নেশাজাতীয় দ্রব্য মূল্য অনেক বেশি। আপনি নিজেই  হিসাব করলে বুঝতে পারবেন প্রতিদিন আপনার কত টাকা ধূমপান এর

পিছনে ব্যয় করেন। এবং এটি সপ্তাহে কত টাকা এবং মাসে কত টাকা পরিণত হয়। আপনি ধূমপান অথবা নেশাজাতীয় দ্রব্য

বর্জন করার মাধ্যমেই খরচ সাশ্রয় করতে পারবেন। যা আপনার অনেক উপকারে আসবে। একদিক থেকে আপনার স্বাস্থ্য ভালো

থাকবে অন্য দিক থেকে আপনার সঞ্চয় এর টাকা সাশ্রয় হবে। সুতরাং ধূমপান করার এই অভ্যাসটা পরিবর্তন করার মাধ্যমে আপনি

খুব সহজেই দরিদ্র মুক্ত হতে পারবেন। 


(৭) পোশাক-আশাকে মিতব্যয়ী হোন


 অনেকেই আছে যারা পরিকল্পনার বাইরে থেকেও পোশাক-আশাক কেনাকাটা করে থাকে। হঠাৎ করেই কোন শার্ট অথবা প্যান্ট

অথবা শাড়ি পছন্দ হলে সেটি কিনে নেয়। আর যার ভোগান্তি পরে মাসের শেষে। সফলতার জন্য আপনার এই অবস্থা অভ্যাসটি

অবশ্যই পরিবর্তন করতে হবে। আপনার পোশাক-আশাক কিনুন তবে সেটি প্রয়োজনের তুলনায় যেন বেশি না হয়। কারণ আপনি

নিজেই হিসাব করে দেখতে পারেন মাসে কয়টা কাপড় আপনার বাজেটের বাইরে কেনাকাটা করে থাকেন। এবং তার কি পরিমান

অর্থ ব্যয় হয়ে থাকে। অবশ্যই এটি একটি খারাপ অভ্যাস। আপনি এই অভ্যাসটি পরিবর্তন করার মাধ্যমে নিজেকে সফল করতে

পারবেন। এবং দরিদ্র মুক্ত হতে পারবেন।


Disclimer

বন্ধুরা আমাদের আজকের পোস্টটি এই পর্যন্তই। আশা করি যে ৬ টি অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে দরিদ্র মুক্ত হতে পারবেন সে

সম্পর্কে আপনারা একটু হলেও জানতে পেরেছেন। লেখাটি ভালো লাগলে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট করে জানাবেন। সেইসাথে

আমাদের সাইটটি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন যাতে পরবর্তী পোস্টগুলো সহজেই পেতে পারেন। এতক্ষণ কষ্ট করে লেখা টি পড়ার

জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ।


Post a Comment (0)
Previous Post Next Post

Advertisement

Advertisement