শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা কি? শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা প্রস্তুতি কিভাবে নিবেন?
এ, পি, জে, আব্দুল কালাম স্যার একটা কথা বলেছিলেন, তিনজনই পারেন একটি দেশ বা একটি জাতিকে সম্পূর্ণরূপে বদলে দিতে। তারা হলেন বাবা, মা ও শিক্ষক। শিক্ষকতা এমনই একটি মহৎ পেশা ,যার সমতুল্য পৃথিবীতে আর একটিও নেই। আর এই মহৎ পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করতে, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা প্রতিটা মানুষকে সুযোগ করে দিচ্ছে এক নতুন সম্ভাবনার দারে পৌঁছে দেবার। বন্ধুরা আজকে আমরা আলোচনা করব
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা কি? কিভাবে এটির প্রস্তুতি নিতে হয়? কোন কোন বিষয়ে প্রতি গুরুত্ব দিলে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া যায়?
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা কি? (এন টি আর সি এ)
আমাদের দেশে নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক, কলেজ, মাদ্রাসা এবং কারিগরি সহ প্রায় ৩৬ হাজার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এবং এইসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যোগ্যতা সম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগ অত্যন্ত আবশ্যক। যে কারণে ২০০৫ সাল থেকে সরকার কর্তৃক অনুমোদিত, (এন টি আর সি এ) বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর যোগ্যতা সম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগ দানের জন্য, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ পরীক্ষা চালু করা হয়েছিল। এবং সরকারি বিধি মোতাবেক নিয়ম করা হয়েছিল যে, দেশের কোন বেসরকারি বিদ্যালয় বা কলেজে এই নিবন্ধন পরীক্ষা উত্তীর্ণ ছাড়া চাকরির পাওয়ার কোন সুযোগ নেই। অর্থাৎ আপনাকে যদি বিদ্যালয় অথবা কলেজে শিক্ষকতার চাকরি করতে হয় তবে অবশ্যই আপনাকে নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। অতএব শিক্ষকতায় ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে আপনাকে অবশ্যই নিবন্ধন পরীক্ষা বাধ্যতামূলক উত্তীর্ণ হতে হবে।
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার যোগ্যতা
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা অংশগ্রহণ করতে হলে আপনাকে কমপক্ষে স্নাতক পাস করতে হবে। অর্থাৎ degree পরীক্ষায় পাস করে বা অনার্স কমপ্লিট করে আপনি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তবে একটা বিষয় বলে রাখা উচিত যারা সদ্য পাশ করেছেন অর্থাৎ, যাদের সার্টিফিকেট এখনো হাতে পাননি কিন্তু এমতাবস্থায় আপনার নিবন্ধন পরীক্ষার ডেট পড়েছে সেক্ষেত্রে আপনি সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দেয়া প্রশংসা পত্র, মার্কশিট, প্রবেশপত্র সহ আবেদন করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে এটি গ্রহণযোগ্য বলে মেনে নেওয়া হবে।
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আবেদনের ক্ষেত্রে, প্রার্থীর শিক্ষাজীবনে যেকোনো একটি মাত্র পরিক্ষায় তৃতীয় বিভাগ বা এর সমমান জিপিএ ফলাফল থাকা গ্রহণযোগ্য হবে। তবে একের অধিক তৃতীয় বিভাগ বা এর সমমান জিপিএ থাকলে পরীক্ষায় অংশগ্রহণে জন্য অনুপযুক্ত বলে বিবেচনা করা হবে। তাই যদি প্রথম থেকেই ইচ্ছা থাকে শিক্ষকতা করার তাহলে অবশ্যই এসএসসি, এইচএসসি এবং স্নাতক পর্যায়ে ভালো রেজাল্ট করতে হবে। নয়তো পরে এসে আর সুযোগটা পাওয়া যাবে না।
আবেদনের ক্ষেত্রে প্রার্থীর বয়সটাও একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। ৩০ বছরের বাইরে গেলে এটি গ্রহণযোগ্য বলে মেনে নেওয়া হয় না। তবে কিছু ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা বা অন্যান্য কোঠায় আওতাভুক্ত প্রার্থীগণ এক থেকে দুই বছর বেশি সুযোগ পায়। তবে সব থেকে ভালো স্নাতক পাস করার পরপরই শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা এবং সবসময় চেষ্টা করতে হবে যাতে এক চান্সে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া যায়।
বেসরকারি এনটিআরসিএ (NTRCA) শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা পদ্ধতি!
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা সাধারণত দুটি পর্যায়ে হয়ে থাকে। একটি স্কুল পর্যায়ে এবং অন্যটি কলেজ পর্যায়ে। তবে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা তিনটি ধাপে হয়ে থাকে। প্রিলিমিনারি, রিটেন এবং মৌখিক পরীক্ষা। প্রথমে ১০০ নাম্বারের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হয়ে থাকে। ১০০ তে সর্বনিম্ন ৪০% নম্বর পেলেই সাধারণত প্রিলিমিনারি তে পাস ধরা হয়। এবং প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় পাশ করা প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষার সুযোগ দেয়া হয়। এই লিখিত পরীক্ষায় পাশ করা প্রার্থীদের নম্বরের ভিত্তিতে মৌখিক পরীক্ষা নেয়া হয়। এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের একটি সনদপত্র দেয়া হয়। পরবর্তীতে এই সনদ দিয়ে এনটিআরসি বরাবর অনলাইনে আবেদন করা হয়ে থাকে। আবেদনের প্রার্থীদের মেধা তালিকার ভিত্তিতে যে কোন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ করা হয়ে থাকে। এবং প্রার্থীর এই সনদের মেয়াদ আজীবন থাকে। তাহলে এটা নিশ্চিত যে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের সনদপত্রের মূল্যটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ একবার এই সনদপত্র হাতে পেলে যেকোনো সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকতা করার সুযোগ পাওয়া যেতে পারে।
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার সিলেবাস ও মানব বন্টন প্রশ্ন পদ্ধতি!
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার বিষয় ও মানববন্টনে প্রশ্ন পদ্ধতি হয়ে থাকে মোট ১০০ নম্বরের। এর ভিতর বাংলায় ২৫, ইংরেজিতে ২৫, গণিতে ২৫, সাধারণ জ্ঞানের ২৫ মোট একশত নম্বর। তবে প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ১০০ নম্বরই এমসিকিউ প্রশ্ন করা হয় এবং এতে সময় ধার্য করা থাকে এক ঘন্টা। অর্থাৎ একশত এমসিকিউ প্রশ্নের উত্তর করতে আপনার সময় থাকবে মাত্র এক ঘণ্টা। এবং প্রতিটা এমসিকিউ প্রশ্নের মান থাকবে এক নম্বর করে। সেই সাথে প্রতিটা ভুল উত্তর দেবার জন্য আপনার মোট প্রাপ্ত নম্বরের থেকে ০.০৫ নম্বর করে কেটে নেওয়া হবে। তাহলে বুঝতেই পারছেন কতটা গুরুত্বপূর্ণ এই পরীক্ষাটি। এখানে আপনাকে প্রতিটা প্রশ্নই নিশ্চিত হয়ে উত্তর করতে হবে এবং সময় পাবেন মাত্র ১ ঘন্টা। সেই সাথে যদি আপনি ভুল উত্তর করেন তাহলে আপনার আধা মার্ক করে কেটে নেওয়া হবে। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হবে শুধুমাত্র তারাই যে কোন একটি ঐচ্ছিক বিষয়ের উপর ১০০ নম্বরের তিন ঘন্টার নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
নিবন্ধন পরীক্ষার প্রিলিমিনারি সিলেবাস !
নিবন্ধন পরীক্ষার প্রশ্ন যে কোন বই অথবা গ্রন্থ থেকে নিতে পারে। এর কোন নির্দিষ্ট সিলেবাস নেই। তবে কিছু কিছু বিষয়ের উপর বেশি গুরুত্ব দিলে অনেক প্রশ্নই কমন পাওয়া যায়। শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রিলিমিনারি পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নিতে বিষয় ভিত্তিক প্রস্তুতি নেওয়া খুবই জরুরী। যে কারণে প্রত্যেক বিষয়ে আলাদা আলাদা প্রস্তুতি নিতে সিলেবাস সম্পর্কে একটি স্বচ্ছ ধারণা দরকার হয়ে থাকে। চলুন দেখে নিই নিবন্ধন পরীক্ষার প্রিলিমিনারি সিলেবাসের ধরন।
প্রথমেই বলেছি ১০০ মার্কের পরীক্ষার ২৫ নম্বর থাকবে বাংলা বিষয়ের উপর। যার ভিতরে রয়েছে বাগধারা ও বাগবিধি, ভাষারীতি ও বিরাম চিহ্নের ব্যবহার, ভুল সংশোধন অথবা শুদ্ধকরণ করার পদ্ধতি, অনুবাদ, কারোক, বিভক্তি ও প্রত্যয়, সন্ধি বিচ্ছেদ, বাক্য সংকোচন, লিঙ্গ পরিবর্তন এবং বিভিন্ন কবিদের বা লেখকদের জীবনী। অথবা তাদের গল্প বা কবিতার অংশবিশেষ। বাংলায় এসব বিষয়ের উপর একটু নজর দিতে হবে। তবে বিশেষ করে বাংলা ব্যাকরণের ভেতর থেকে বেশি প্রশ্ন এসে থাকে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম গুলো সঠিকভাবে জানতে হবে। শুধু যে নিবন্ধন পরীক্ষা জন্য এটি প্রয়োজন তা নয়। যেকোনো চাকরি ক্ষেত্রে বাংলা গ্রামার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। চাকরি প্রস্তুতি পরীক্ষার জন্য বাংলা গ্রামার থেকে অনিবার্য কম করে হলেও ১০ থেকে ১৫ নম্বরের প্রশ্ন পাওয়া যায়।
এবার আসি ইংরেজি বিষয়ে। বাংলায় যেমন ব্যাকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তেমনি ইংরেজিতেও গ্রামার সাইটটা খুব ভালো করে কমপ্লিট করতে হবে। বিশেষ করে Compliting sentene,Change of parts of speeh, Translation from bengali to english, Fill in tha blanks with appropriate word, Right forms of verb, Transformation of sentence, Idioms & phrases, synonyms & antonyms.
এছাড়াও কলেজ পর্যায়ে আরো বাড়তি কিছু বিষয় আছে যেগুলোর উপরে প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। তার ভিতরে রয়েছে Identify appropriate title fom story or article, Errors in composition, Appropriate preposition, Uses of article.
সাধারণ গণিত ২৫ মার্ক
সাধারণত গণিতে তিনটি বিষয়ের উপর প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। পাটিগণিত, বীজগণিত এবং জ্যামিতি। পাটিগণিতের ভিতরে থাকে গড়, লসাগু, গসাগু,ঐকিক, নিয়ম লাভ-ক্ষতি, শতকরা, অনুপাত- সমানুপাত, সুদকষা ইত্যাদি । এসব বিষয়ের উপর মোটামুটি ধারণা রাখতে হবে। এবং বীজগণিতের ভিতরে থাকে বীজগণিতিক বিভিন্ন সূত্র, বাস্তব সংখ্যা সমাধানের বীজগণিতিক সূত্র গঠন ও প্রয়োগ, সূচক ও লগারিদম এর সূত্র প্রয়োগ, উৎপাদক, উৎপাদক বর্গ ও ঘনশ্যামলিত সূত্রাবলী, ইত্যাদি। এবং জ্যামিতির ভিতরে থাকে রেখা কোন, ত্রিভুজ চতুর্ভুজ ক্ষেত্রফল, বিত্ত সম্পর্কিত সাধারণ ধারণা নিয়ম ও প্রয়োগ, স্কয়ার ফুট, বর্গফুট, মিটার এইসবের প্রতি মোটামুটি ধারণা রাখতে হবে।
সাধারণ জ্ঞানে থাকবে ২৫ মার্ক
এখানে আপনাকে সাধারণ জ্ঞান সম্পর্কিত ধারণা নিতে হবে। বিশেষ করে বাংলাদেশ সম্পর্কিত বিষয়ের। বর্তমানে পদ্মা সেতু সম্পর্কে মোটামুটি জ্ঞান রাখতে হবে। এছাড়াও প্রতিদিন খবরের কাগজ অথবা কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স থেকেও আপনি বিভিন্ন ধরনের সাধারণ জ্ঞান সম্পর্কে জানতে পারবেন। আন্তর্জাতিক বিষয় ও চলতি ঘটনাবলী সম্পর্কে আপনার ধারণা রাখতে হবে। বিজ্ঞান প্রযুক্তি পরিবেশ সম্পর্কিত মৌলিক জ্ঞান এর উপর থেকেও অনেক সময় প্রশ্ন করে থাকে। তবে বাংলাদেশ সম্পর্কিত বিষয়গুলির ভিতর অনেক প্রশ্নই কমন পেয়ে যাবেন। তার ভিতর বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতিও জলবায়ু, শিক্ষা, ইতিহাস, ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ, সভ্যতা ও সংস্কৃতি, বিখ্যাত স্থান, বাংলাদেশের রাষ্ট্র ব্যবস্থা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, অর্থনীতি, বন কৃষি, শিল্প, পানি, জাতীয় দিবস, বা বিশেষ বিশেষ দিবস কবে পালন করা হয় এসব সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা রাখতে হবে। সেই সাথে আন্তর্জাতিক বিষয় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান অর্থনৈতিক সংস্থা, বিভিন্ন দেশের পরিচিতি, জলবায়ু পরিবর্তন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, আন্তর্জাতিক দিবস, পুরস্কার ও সম্মাননা, খেলা ইত্যাদি সম্পর্কেও অনেক প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। সুতরাং এসব বিষয়ক মোটামুটি নজর দিতে হবে। এছাড়াও স্বাস্থ্য চিকিৎসা ,প্রত্যাশীক জীবন, বিজ্ঞান তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি, সাধারণ পরিবেশ বিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রশ্ন কামাল করা হয়ে থাকে। এবং বাংলাদেশের ঐতিহ্য, বিভিন্ন কবি সাহিত্যিক, মুক্তিযোদ্ধা এদের জন্ম দিবস মৃত্যুবার্ষিকী থেকেও বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। সুতরাং এসব বিষয়ক মোটামুটি ধারণা রাখতে হবে। এসব বিষয়ে উপর মোটামুটি ধারণা রাখলে আপনি নিবন্ধন পরীক্ষায় অবশ্যই অনেক ভালো রেজাল্ট করতে পারবেন।
আরো পড়ুন বরবটি সিমের উপকারিতা সম্পর্কে https://www.sbdfoodtips.xyz/2022/06/what-are-advantages-and-disadvantages.html
এই ছিল আমাদের আজকের শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতি সম্পর্কে প্রতিবেদন।
আশা করি আপনারা বুঝতে পারছেন আসলে কিভাবে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে হয়।এবং কিভাবে প্রশ্ন পদ্ধতি করা হয়। লেখাটি ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। এতক্ষণ ধরে আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

