শুধু জোয়ারের আটার রুটি খেয়েই ওজন কমাবেন যেভাবে, ওজন কমানোর সহজ উপায়!
খাবারের জগতে রুটির একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। শুধু আটা নয় বিভিন্ন ধরনের শস্য দিয়ে তৈরি করা হয়ে থাকে রুটি ।এটি গম ছাড়াও বাজরা, ভুট্টা, জোয়ার দিয়ে তৈরি করা হয়ে থাকে। আমাদের আজকের আলোচনায় আপনাদের জানাবো গমের আটা দিয়ে তৈরি করা রুটি না খেয়েও কিভাবে ওজন কমাতে পারেন।
গমের আটা ছাড়াও বাজারে রয়েছে জোয়ারের আটার ব্যাপক চাহিদা। এতে শুধু এন্টিঅক্সিডেন্ট নয়, ফাইবার ও প্রোটিনের পাশাপাশি আরো অনেক পুষ্টি উপাদান রয়েছে। যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
জেনে নিন কিভাবে জোয়ারের রুটি খেয়ে শরীরের ওজন কমাতে পারেন!
জোয়ারে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ফাইবার এবং উচ্চমানের প্রোটিন। এই দুটি জিনিস খাওয়ার ফলে দীর্ঘক্ষণ শরীরে খুদা লাগেনা। এ কারণে অতিরিক্ত খাওয়া থেকে নিজেকে রক্ষা করা যায়। এক বাটি জোয়ারে রয়েছে প্রায় ২ গ্রাম ফাইবার এবং ২২ গ্রাম প্রোটিন। যে কারণে গমের আটার রুটি খাওয়ার থেকে জোয়ারের আটার রুটি খেলে আপনার পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকবে। এবং আপনি বেশি পুষ্টিও পাবেন। যে কারণে এটি শরীরের জন্য তুলনামূলক অনেক বেশি উপকারী।
জোয়ারের রুটি তৈরি করার প্রয়োজনীয় উপকরণ!
জোয়ারের রুটি তৈরি করতে জোয়ার এক কাপ, লবণ এক চা চামচ, গাজর পরিমাণ মতো কেটে নিতে হবে, পেয়াজ একটি ছোট ছোট করে কুচি করতে হবে, শসা পরিমাণ মতো নিতে হবে, কাঁচামরিচ দুইটি, ধনে প্রায় এক চা চামচ এর মত নিতে হবে, পুদিনা পাতা এক চা চামচ কেটে নিতে হবে, এবং গরম জল ময়দা মাখার জন্য পরিমাণ মতো নিতে হবে।
জোয়ারের রুটি তৈরি করার নিয়ম!
জোয়ারের রুটি বানানোর জন্য প্রথমে সামান্য লবণ মিশিয়ে গমের আটার মত এটিকে তৈরি করতে হবে। এছাড়াও শরীরে ওজন কমানোর জন্য বিশেষ সবজি দিয়ে জোয়ারের রুটি তৈরি করতে পারেন। জোয়ারের রুটি তৈরি করার সাথে গাজর পেঁয়াজ ও পুদিনা পাতা ইত্যাদিও যোগ করে পারেন। এবার জল বাদে অন্য সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার ধীরে ধীরে এর ভিতর জল দিন এবং ময়দা মাখানোর পর 15 থেকে 20 মিনিট রেখে দিন। তারপর ছোট ছোট বল বানিয়ে রুটি তৈরি করুন।
আরো পড়ুন অজান্তেই আপনি নিজের মেরুদন্ডের ক্ষতি করছেন না তো https://www.sbdfoodtips.xyz/2022/10/are-you-unknowingly-damaging-your-spine.html
এভাবে আপনি জোয়ারের রুটি তৈরি করে নিতে পারেন। এবং এটি শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে বিশেষ উপকারী। বন্ধুরা আমাদের আজকের পোস্টটি এই পর্যন্তই। ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। এতক্ষণ ধরে কষ্ট করে লেখাটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

