পায়ের পেশিতে টান বা অবশ ধরা যে রোগের আগাম লক্ষণ-Health Tips 2022

ঘন ঘন পায়ের পেশিতে টান পড়া বা অবাশ হওয়া মোটেও কোনো ভালো লক্ষণ নয়! জেনে নিন কোন রোগের ইঙ্গিত দিচ্ছে

https://www.sbdfoodtips.xyz/2022/11/Leg-muscle-tension-or-paralysis-is-an-early-sign-of-disease-Health-Tips -2022.html

পা অবশ হওয়ার প্রতিকার

পায়ের পেশিতে ঘনঘন টান পড়ে অথবা একটু বসে থাকলেই অবশ ধরে এমন সমস্যা আজকাল অনেকেরই দেখতে পাওয়া যায়। হয়তো এটি  প্রথম প্রথম অবস্থাতে সাধারণ সমস্যা মনে হলেও এটি কিন্তু আসলে সামান্য সমস্যা নয়। ঘুমের মধ্যে অথবা ঘুম থেকে উঠে অনেকেরই এই ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে। কারোর বা অনেক সময় পায়ে ঝি ঝি বা অবশ ভাব ধরে। আপনি জানলে অবাক হবেন যে, এ ধরনের সমস্যা কিন্তু শরীরে উচ্চ কোলেস্টেরল এর ইঙ্গিত দেয়। 

হাত পা অবশ হওয়ার কারণ ও প্রতিকার

 উচ্চ কোলেস্টেরল যা আমাদের শরীরের জন্য একটি ভয়ানক সমস্যা। এটিকে প্রাণঘাতী ও বলা যায়। উচ্চ কোলেস্টেরল নীরব ঘাতক হিসেবে পরিচিত চিকিৎসা শাস্ত্রে। আর এটি যদি সময়মতো শনাক্ত করতে না পারা যায় তাহলে এ থেকে হতে পারে হূদরোগ অথবা স্ট্রোক এর মত ঘাতক অসুখ। যদিও এর কোন লক্ষণ শনাক্ত করা যায় না।  আর পেলেও অনেকেই আছে যা সাধারণভাবে অবহেলা করে থাকেন। যার কারণে সমস্যা আরো বাড়তে থাকে। সুতরাং আমাদের অবশ্যই এটি সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। ঘনঘন পায়ের পেশিতে টান বা অবশ হয়ে যাওয়া এটি মোটেও ভালো লক্ষণ নয়।

হাত পা ঝিমঝিম করার প্রতিকার

 যখন রক্তে বিশেষ করে অত্যাধিক কোলেস্ট্রল জমা হয়ে থাকে তখন তা ধমনীতে জমা হয়। যার ফলে শরীরে কিছু লক্ষণ প্রকাশ পেলেও তা কেউই গুরুত্ব দেয় না। তবে প্রকৃতপক্ষে এই লক্ষণগুলো কোনভাবেই উপেক্ষা করা উচিত নয়। আপনি যদি এই লক্ষণ গুলো দেখার পরেও এড়িয়ে যান তবে এটি থেকে আপনার হতে পারে প্রাণ নাশও।

হাত পা অবশ হওয়ার প্রতিকার

 আপনার পায়ে পেশিতে টান অথবা ঘনঘন অবশ হয়ে যাওয়ার কারণে হতে পারে পেরিফেরাল ধমনীর রোগ। কেননা উচ্চ কোলেস্টেরল এর সঠিক চিকিৎসা না করা হলে ধমনীতে একপ্রকার ব্লক তৈরি হয়ে থাকে। ব্লক কোলেস্টেরল বিভিন্ন চর্বিযুক্ত পদার্থ থেকে তৈরি হয়ে থাকে। যা ধমনীর পথকে ব্লক অথবা বাধা সৃষ্টি করে। যে কারণে সংকোচিত রক্তনালী থেকে স্বাভাবিকভাবে রক্ত চলাচল করতে পারে না। আর এ কারণেই প্রাথমিকভাবে পায়ে  এই লক্ষণ দেখতে পাওয়া যায়। পেরিফেরাল আর্টারি (ডিজিজ)  পি,  এ, ডি বলা হয়। তবে পেরিফেরাল ধমনীর রোগের প্রথম লক্ষণ ও এটি হতে পারে খুবই অস্বাস্থ্যকর এবং বেদনাদায়ক। তবে এই রোগটি বিশ্রামের সময় আবার ঠিক হয়ে যায়। বিশেষ করে ধমনীতে ব্লক জমার কারণে রক্তপ্রবাহের সমস্যা হলেও বিশ্রাম নেয়া সময় এটি অটোমেটিক্যালি ঠিক হয়ে যায়।

আরো পড়ুন হাড় ক্ষয় প্রতিরোধে করণীয় টিপস https://www.sbdfoodtips.xyz/2022/11/Tips-to-prevent-bone-loss-Health-Tips.html


 পিএডি এর লক্ষণ


 যদিও পায়ের বিভিন্ন অংশে ব্যথা অথবা অশস্তির বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে। তবে সাধারোনত পায়ে ব্যথা পিএডি এর সঙ্গেই সম্পর্কিত। এবং এটি খেয়াল রাখবেন। যদি কাজ করার সময় হয়ে থাকে এবং পরবর্তী বিশ্রামের সময় আবার ঠিক হয়ে যায় তাহলে বুঝে নিবেন  আপনি পিএডি রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়াও পায়ে অসারতা, দুর্বলতা, ক্লান্ত অথবা ভারী অনুভূত হওয়া এই লক্ষণগুলো পিএডি রোগের ইঙ্গিত দিয়ে থাকে। তবে পায়ের নিচের অংশে ব্যথা সাধারণত বেশি হয়ে থাকে। কিন্তু কখনো কখনো এই ব্যথা হাটু কিংবা উরু পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। একটা কথা স্মরণে থাকা উচিত। পায়ের যন্ত্রণা বা ক্রাম্প ছাড়াও বিশ্রামের সময় পিএডি ব্যথা অথবা জ্বালা-পোড়া অনুভব হতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি রাতে শুয়ে থাকার সময় দেখা যায়।

ঘুমের মধ্যে হাত পা অবশ

 বিএড এর অন্যান্য উপসর্গ লক্ষ্য করা যায় পায়ে ঠান্ডা অনুভূত, লালচে ভাব, পায়ের রং পরিবর্তন এছাড়াও ঘনঘন পায়ে সংক্রমণ পায়ের আঙ্গুলে ঘা হয়ে যাওয়া এসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে। সুতরাং এসব লক্ষণ দেখা দিলে অবশ্যই দেরি না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। কেননা এসকল উপসর্গ উচ্চ কোলেস্টেরল সম্পর্কিত হওয়ার কারণে হয়ে থাকে। এবং সর্বপ্রথম খাবারে কোলেস্টেরল বা ফ্যাট বাদ দিন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাবার গ্রহণ করুন।

পা ভারী লাগার কারণ

 তো বন্ধুরা আশা করি ঘনঘন পায়ের পেশিতে টান বা অবস হয়ে যাওয়ার কোন রোগের ইঙ্গিত দেয় তা আপনারা জানতে পেরেছেন।  তথ্যটির সম্পর্কে কোন মতামত থাকলে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট করে জানাবেন। এতক্ষন সাথে থেকে লেখাটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। কথা হবে পরবর্তী পোস্টে।


Post a Comment (0)
Previous Post Next Post

Advertisement

Advertisement